Saturday, April 23, 2016

গুগলে সাইট র‍্যাংক বাড়ানোর ৩ টি উপায়

১. আপনার প্রতিযোগীরা গুগলে র‍্যাংক পেতে কোন সোর্স থেকে ব্যাকলিংক নেয় সেগুলো অনুকরন করুন

শুধু শুধু কষ্ট করে ব্যাকলিংক কালেক্ট করার কোন দরকার নেই । এতে আপনার সময় নষ্ট হবে । আপনার প্রতিযোগীদের ওয়েবসাইট গুলো লক্ষ্য করুন । তারা কোন সোর্স থেকে ব্যাকলিংক নিয়ে গুগলে র‍্যাংক পেয়েছে সেটা ফলো করুন ।
১ম ধাপ: আপনি যে কী-ওয়ার্ডটি র‍্যাংক করতে চান সেটা লিখে গুগলে সার্চ করুন এবং যে ওয়েবসাইট প্রথমে এসেছে সেটা নোট করে রাখুন ।
২য় ধাপ: আপনার কী-ওয়ার্ড সার্চ করার পর আপনি যে পেইজ গুলো পেয়েছেন সেই পেইজের ব্যাকলিংক গুলোর একটা লিস্ট করে ফেলুন । (ওয়েবসাইটের ব্যাকলিংক চেক করার জন্য এইটা SMALLSEOTOOLS ব্যাবহার করতে পারেন । এবং এই রকম আরো অনেক ফ্রী টুলস আছে । তবে পেইড টুলস গুলো আপনাকে নিঁখুত ফলাফল দিবে । যেমন AHREFS ).
৩য় ধাপ: আপনি যে ব্যাকলিংক গুলোর লিস্ট করেছেন, সেগুলো থেকে দেখে নিন কোন ব্যাকলিংকগুলো অথরিটি সাইট থেকে এসেছে । ( ডোমেইন রেটিং অনুযায়ী ফিল্টার করে ফেলুন)
৪র্থ ধাপ: এইবার আপনার কাজ হলো বাছাই করে বের করা, তাদের ওয়েবসাইটে কি কি ফিচার আছে যেটা আপনার ওয়েবসাইটে নেই । সেই ফিচার গুলো আপনার ওয়েবসাইটে পুরন করার চেষ্টা করুন । আপনি ব্যাকলিংক দিয়ে শুরু করতে পারেন । আপনিতো আগেই ব্যাকলিংকগুলোর লিস্ট করে ফেলেছেন । এইবার দেখুন কোন লিংকগুলো পেতে আপনার সহজ হবে এবং সেগুলো থেকে শুরু করুন ।
৫ম ধাপ: আপনার কী-ওয়ার্ড সার্চে যে সাইট গুলো দ্বিতীয় তৃতীয় বা দশম স্থানে আছে সবগুলোর ক্ষেত্রেই একই কাজ গুলো করুন । মানে আপনি সবগুলোরই ব্যাকলিংক সংগ্রহ করুন । এইভাবে দেখবেন আপনার নিশ সম্পর্কিত প্রচুর ব্যাকলিংক পাবেন এবং আপনার কী-ওয়ার্ড র‍্যাংক করানোর ক্ষেত্রে বসে বসে আর ব্যাকলিংক খুঁজতে হবে না ।
আর এইভাবে কাজ করলে আপনার কাজগুলোর মধ্যে একটা শৃংখলতা বজায় থাকবে । নাহলে আপনি চিন্তা করে দেখুন ব্যাকলিংক খুঁজতে খুঁজতেই আপনি বিরক্ত হয়ে যাবেন ।

২. আপনার প্রতিযোগীদের “Linkable assets” কি আছে সেটা অনুসরন করুন ।

“Linkable assets” বিষয়টা কি আমরা সেটা একটু জেনে নিই ।
“Linkable assets” হলো আপনার ওয়েবসাইটের সবচেয়ে আকর্ষনীয় এবং তথ্যবহুল পেইজগুলোকে বুঝায় । আপনি এমন ভাবে পেইজগুলো তৈরি করবেন যেন অন্যরাও আপনার এই পেইজের লিংক দিয়ে কোথাও উদাহরন দিতে পারে । কিন্তু একটা ব্যাপার মাথায় রাখতে হবে, এই পেইজগুলো তৈরি করা কিছুটা কঠিন এবং বেশ সময় নিয়ে এই পেইজ তৈরি করতে হবে । ওয়েবসাইট র‍্যাংক করানোর ক্ষেত্রে এই পেইজগুলো বেশ কাজে লাগে ।
তো চলুন দেখে নিই কিভাবে এইরকম একটা পেইজ আমরা তৈরি করতে পারি ।
আপনি এই ক্ষেত্রে আপনার প্রতিযোগীদের ওয়েবসাইট নিয়ে কিছুটা সময় ব্যায় করতে হবে ।
১ম ধাপ: আপনার প্রতিযোগী ওয়েবসাইটের কোন পেইজে সবচেয়ে বেশি পরিমান ব্যাকলিংক আছে সেটা খুঁজে বের করুন । এবং সেই ব্যাকলিংকগুলোর একটা লিস্ট করে ফেলুন । (এটা বের করার জন্য আপনি ভালো কোন সাইট এক্সপ্লোরার ব্যাবহার করতে পারেন )।
২য় ধাপ: আপনার পেইজ খোঁজা হলে এইবার ভালো করে দেখুন এই পেইজে এমন কি আছে, যে কারনে অন্যারা তাকে ব্যাকলিংক দিচ্ছে ? সময় নিয়ে পেইজটা পর্যবেক্ষন করুন । যে বিষয়গুলো পেইজটাকে গুরুত্বপুর্ন করে তুলেছে সেগুলো আলাদা ভাবে টুকে রাখুন । এইবার আপনার কাজ হলো আপনি আপনার ওয়েবসাইটে যে পেইজকে “Linkable assets” করতে চান সেই পেইজটাকে ভালো রিসোর্স দিয়ে পরিপুর্ন করে ফেলুন । অবশ্যই লক্ষ্য রাখবেন আপনার রিসোর্স গুলো অবশ্যই জন্য আপনার প্রতিযোগীর চেয়ে ভালো হয়।
৩য় ধাপ: প্রথম ধাপ অনুসরন করলে আপনার এতক্ষনে এইটা বুঝে ফেলার কথা কারা আপনার প্রতিযোগীকে ব্যাকলিংক দিয়েছিল । এইবার আপনার কাজ হলো আপনার “Linkable assets” তাদের কে দেখানো । আপনার “Linkable assets” যত বেশি আকর্ষনিয় এবং অসাধারন করে তুলতে পারবেন তত বেশি তারা আপনাকে লিংক দেওয়ার ব্যাপারে আগ্রহী হবে ।
৪র্থ ধাপ: যত বেশি সম্ভব এই “Linkable assets” তৈরি করুন । শুধু পুরো একটা পেইজকেই যে “Linkable assets” বুঝায় সেটা না । আপনার একটা চমৎকার আর্টিকেলও হতে পারে একটা “Linkable assets” । এইভাবে প্রচুর পরিমানে “Linkable assets” তৈরি করলে আপনার আর ব্যাকলিংক নিয়ে কোন চিন্তা করতে হবে না । আপনার ওয়েবসাইট এমনিতেই ব্যাকলিংক পেতে থাকবে ।

৩. লিংক পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি এইরকম কন্টেন্ট পাবলিশ করুন

আপনি যদি নিশ্চিত না হন যে আপনার আর্টিকেল কি ব্যাকলিংক পাওয়ার যোগ্য কি না বা ব্যাকলিংক পাবে কি না, তাহলে এই ধরনের আর্টিকেল পাবলিশ করার কোন কারনই নেই ।
তো, আপনি যদি বুঝতে না পারেন কেমন আর্টিকেল পাবলিশ করা উচিৎ তাহলে কিছু বুদ্ধি খরচ করতে হবে ।
১ম ধাপ: আপনি যে ধরনের আর্টিকেল প্রকাশ করতে চান সেটার জন্য কয়েকটা কী-ওয়ার্ড বাছাই করুন ।
২য় ধাপ: আপনি যে কী-ওয়ার্ড গুলো নির্বাচন করেছেন এইবার সেগুলো গুগল সার্চ করুন । যে পেইজ এবং আর্টিকেলগুলো পেয়েছেন এইবার সেগুলোর ব্যাকলিংক সংখ্যা অনুযায়ী একটা লিস্ট করুন । ( আপনি এই ক্ষেত্রে কন্টেন্ট এক্সপ্লোরার ব্যাবহার করতে পারেন )
৩য় ধাপ: এইবার আপনার কাজ হলো আর্টিকেল গুলো ভালো করে পর্যবেক্ষন করা, কোন আর্টিকেল গুলো সবচেয়ে বেশি ব্যাকলিংক পেয়েছে এবং সেই ব্যাকলিংক গুলো লিস্ট করুন । আর নোট করে রাখুন আর্টিকেলটিতে কি এমন বৈশিষ্ট্য আছে যার কারনে সে এত ব্যাকলিংক পেল ।
৪র্থ ধাপ: আপনি এতক্ষন অনেক কষ্ট করলেন । এইবার আপনি যা যা বের করেছেন সব কিছু নিয়ে বসুন এবং চিন্তা করুন আপনার প্রতিযোগীর চেয়ে ভালো আর্টিকেল কিভাবে তৈরি করা যায় । আর্টিকেল তৈরি হয়ে গেলে আপনার কাজ হলো প্রতিযোগীর আর্টিকেল থেকে পাওয়া ব্যাকলিংকগুলোর কাছে পৌঁছানো । তাদেরকে আপনার আর্টিকেল দেখান । তাদের কাছ থেকে সাথে সাথে লিংক পেয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও আছে ।
Source: Mahjebin.com

এমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরুর আগে ?


উপরি কথাঃ
সম্ভবত বছর দুই কি আড়াই বছর আগের কথা ।
চারদিকে হৈ হৈ পরে গেল ফ্রিল্যানসিং করলে গাড়ি গাড়ি টাকা পাওয়া যায় ।
মানুষ গনহারে ওডেক্সে একাউন্ট খোলা শুরু করল । কিছু জানুক কি না জানুক ওডেক্সে একাউন্ট খুলে কাজের জন্য আবেদন করা শুরু করল ।
এমন অনেক পাবলিক পাওয়া গেল যারা কিনা ক্লায়েন্টের ইংরেজীই বুঝতে পারে না অথচ ওডেক্স নিয়মিত কাজের জন্য আবেদন করে ।
সম্ভবত এমন স্পামিং ঠেকাতেই ওডেক্স নানা ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া শুরু করল ।
১) ছোট খাট নানা ভুলেও একাউন্ট ব্যান করা শুরু করল ।
২) কাজের কোয়ালটি যথেষ্ট থেকে যথেষ্ট ভাল না হলে তাদের আবেদনগুলো ক্লায়েন্ট পর্যন্ত না যাওয়ার ফিল্টারিং শুরু করল ।
৩) মোটকথা সাধারন ফ্রিল্যানসারদের মনে ভীতি ধরায় দিল যে হঠাৎ আয়ের পথ বন্ধ হলে কি হবে ।

নিজের কথাঃ
এবার দ্বিতীয় ধাপে যাওয়ার আগে আমার সমন্ধে কিছু বলে নেই ।
আমি মূলত বিভিন্ন ফ্রিল্যানসিং সাইটে ওয়েবসাইট তৈরীর কাজ হালকা-পাতলা করি বেশ অনেক দিনই হল । এখন অবশ্য মার্কেট প্লেসের বাইরেও কাজ করি ।
আমি যখন ওয়েব ডিজাইনের কাজ শিখি তখন এই রিলেটেড বিভিন্ন গ্রুপে জয়েন ছিলাম । কোন প্রশ্ন তেমন করতাম না । তবে যখনই কম্পিউটার ছেড়ে মোবাইলটা হাতে নিতাম তখনই গ্রুপগুলোয় নানা মানুষের প্রশ্নগুলো পড়তাম, এক্সপার্টদের উত্তরগুলো দেখতাম ।
মজার ব্যাপার হল শুধু এই গ্রুপগুলোয় নিয়মিত পড়ার কারনেই আমি মার্কেটপ্লেসে কাজ শুরুর আগেই সব ধারনা নিয়ে ফেলেছিলাম কি করে ক্লায়েন্টেকে পটাতে হয়, কি করে কথা বলা উচিত থেকে টেকনিক্যাল বিষয় মোটামুটি সব ।
আমি এফিলিয়েট মার্কেটিং এ সেভাবে কখনই যুক্ত ছিলাম না । তবে মোটামুটি জ্ঞান ছিল । রিফাত ভাইয়ের সেই প্রথমদিককার টিউটোরিয়াল দেখে আগ্রহটাও বেশ বেড়ে যায় । তবে আমি মুলত ওয়েব ডেভোলপার হিসাবে ক্লায়েন্টদের ডোমেইন হোস্টিং রেফার করা ছাড়া তেমনভাবে সফল হই নাই । যদিও অনেকগুলো ওয়েবসাইট বানিয়েছিলাম কিন্তু কিওয়ার্ড রিসার্স বা এসইও ভাল না জানায় কিংবা ক্লায়েন্টের কাজে ব্যস্ত থাকায় সময় হয়ে উঠে নাই ।

আমার একথাগুলো কেন বললাম জানেন? যদি অভ্যাসটা ভাল মনে হয় তবে পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন ।
এবার বাস্তবতা কিছু বলল ।
কোন প্রফেশনই সহজ না । বরং কঠিন । অনলাইনে টিকে থাকা আরও কঠিন । কারনটা হল এখানে প্রচুর শিখতে হয় । নিজেকে প্রতিদিন আপডেট রাখতে হয় ।
সেদিন একজনের এমন প্রশ্ন দেখে অবাক হলে গেলাম "ভাই ১০০ ডলার ইনভেস্ট করে নাকি ১০০০ ডলার ইনকাম করা যায় । কেমনে?"
আমি ৪-৫ বছর ধরে ধীরে ধীরে শিখে এই লাইনে টিকে থাকার চেস্টা করছি আর নতুন একজন এসে বলে ১০০ ডলারে ১০০০ ডলার বানাই ফেলবে । ডলার কি বৈশাখী জড়ের বেগে আপনার হাতে আসবে ?

ঐ ওডেস্কের কথায় আবার আসি । সেই সময়েও এমন ম্যালা উত্তেজিত মানুষ দেখা গেছিল যারাও এমন ২দিনে ১০০০ ডলার ইনকাম করতে যাইয়া স্পামিং শুরু করে দিছিল । আপনি কোন কাজই জানেন না অথচ আপনি কাজের জন্য আবেদন করছেন এর চেয়ে বড় স্পামিং আর কি হতে পারে ?
এমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং এ ঠিক একই ভাবে স্পামিং শুরুর ইংগিত পাচ্ছি । এখন কিংবা নিকট ভবিষ্যতে এমাজন বাংলাদেশীদের জন্য একটু কড়া হলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না । কোন রুলস না মেনে দুই নাম্বারি করে মার্কেটিং করে একাউন্ট ব্যান করবে আর এর নেগেটিভ প্রভাব পরবে সাধারন মার্কেটারদের উপর ।
আর এই গ্রুপেও এমন মানুষ দেখছি যারা কেউ কিছু জানে না তাকেও লাখ টাকার স্বপ্ন দেখানোর মত অনুপ্রেরনা দেয় । ভাইরে ব্যাপারটা কি এত সহজ? তাই মানুষকে বাস্তবতা বলে স্পামিং এর হাত থেকে নিজে বাঁচুন অপরকে বাঁচান ।
আমি একজন নেগেটিভ মানুষ । নেগেটিভ মানুষ এই শর্তে যে, আমি একটা ভাল জিনিস পেলে তার নেগেটিভ দিকগুলা নিয়েই আগে ভাবি এবং এর বিকল্প সমাধানও মনে মনে চিন্তা করার চেস্টা করি ।
আপনি ভাল দিক জেনে ঢুকে পরলেন কিন্তু খারাপ দিক জানবেন কি মধ্য রাস্তায় গিয়ে ?

এবার আসি আসল কথা অর্থাৎ এমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং নিয়ে ।
আমি অনলাইনের লোক আমার যে বিষয়ে অজানা আছে বা অল্প জানা আছে তা আমি দ্রুত শিখেই কাজে লাগতে পারি এবং আমার সফল হওয়ার চান্স বেশি । তাই না?
কিন্তু আপনি কিছুই জানেন না, কিছুই পারেন না, আপনি শিখবেন কবে আর ইনকাম করবেন কবে ভেবে দেখেছেন কখনও?
কিছুই জানি না শিখতে চাই । ওকে শিখুন তবে ১ বছর মিনিমাম সময় নিয়ে মাঠে নামতে হবে পারবেন ? যদি পারেন নিজের বিষয়গুলো শুরু থেকে শুরু করুন ।
এমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরুর আগেঃ
১) "আমি কিছুই জানি না" এই গ্রুপে এমন প্রশ্ন করার চেয়ে গ্রুপের ডকগুলো পড়ুন একমাস এই গ্রুপে যত আলোচনা হয় সব খুটিয়ে খুটিয়ে পড়ুন ।
২) ডোমেইন কি হোস্টিং কি জানেন ? না জানলে জেনে নিন ।
৩) ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল করা শিখুন, একে কিভাবে ব্যবহার করতে হয় জানুন । সিপ্যানেল সমন্ধে ধারনা নিন ।
৪) ইংরেজী কেমন জানেন ? কারও প্রশ্নের উত্তর কি ইংরেজীতে দিতে পারেন ? না পারলে আগে ইংরেজীই শিখুন । নিজে আর্টিকেল না লিখলেও হবে কিন্তু যার দ্বারা লিখাই নিবেন তাকে তো পরিষ্কার ইংরেজীতেই ইনস্ট্রাকসন দিতে হবে নাকি ? তাছাড়া এফিলিয়েট মার্কেটিং শিখতে হলে আপনাকে ইংরেজী ব্লগ নিয়মিত পড়তে হবে ।
৫) এসইও কি জানেন ? কিওয়ার্ড রিসার্স কেমনে করতে হয় জানেন ? আমি এইটা ভালকরে কখনই শিখি বলেই এফিলিয়েট মার্কেটিং এ আসতে আমার দেরী হল এবং আমার অনেক প্রজেক্ট পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে । কিওয়ার্ড রিসার্স, অনপেজ এসইও, অফপেজ এসইও খুব ভাল করে শিখুন ।
৬) ভাল কিন্তু কম দামে ডোমেইন হোস্টিং প্রোভাইদের রিভিউ পরুন এবং সিদ্ধান্ত নিন কেনার । লাভ না আসা পর্যন্ত সবকিছুতেই ইনভেস্ট মিনিমাইজ করার চেস্টা করবেন ।
৭) একদিনে না ২-১ দিন পর পর নিয়মিত আর্টিকেল পাবলিশ করার চেস্টা করুন । ৫-১০ টা আর্টিকেল লেখা হলে পাবলিশ করার পর গুগল ওয়েবমাস্টারটুলে সাববিট করুন আপানার ওয়েবসাইট ইনডেক্স করার জন্য ।
৮) এবার এমাজন এসোসিয়েটে আবেদন করুন এবং এফিলিয়েট লিংক বসান ওয়েবসাইটে । এফিলিয়েট লিংক নোফলো করুন, কিভাবে বসাবেন, কোথায় সবাবেন, কোন প্লাগিন ভাল সেটা জানুন শিখুন ।
৯) এবার অনপেজ এসইও ভালভাবে করে ধুমাইয়ে লিংক বিল্ডিং শুরু করুন । ভাল কথা, নেগেটিভ এসইও করলে গুগল কিন্তু আপনাকে থাপ্পর দিতে পারে(ডিইনডেক্স করতে পারে) সেটাও জেনে নিন কেন দেয় । আপনার সবকিছু শেষ হতে এই এক থাপ্পরই যথেস্ট ।
১০) নানা রকম প্রিমিয়াম টুল কিনতে হবে, ভালভাবে এসইও করতে হবে এবং ভালমানের আর্টিকেল না লিখলে আপনার ওয়েবসাইট ব্যর্থ হবেই হবে । এসবের জন্য মিনিমাম ২৫০ ডলারের বাজেট রাখুন(আপনি একবছর ফুল সময় দিবেন সেই হিসাবে এইটা মিনিমাম । হয় আপনি সময় দিবেন নয়তো ইনভেস্ট বাড়াবেন) । আপনি সফল নাও হতে পারেন এমনটা ভেবে নিয়েই ইনভেস্ট করবেন ।
আমি শুধু উপরে উপরে বলে গেলাম কি করতে হবে শিখতে হবে কিন্তু মনে রাখবেন প্রতিটা টপিকের সাথে আরও হাজারটা টপিক আপনাকে জানতে হবে । যদি নতুন হন তবে মনে মনে আগে ভাবুন আপনার মিনিমাম একবছর লেগে থাকার ক্ষমতা আছে কিনা । যদি থাকে তবে ওয়েলকাম । এইখানে ২৫০ ডলার থেকে ২৫০০০ ডলার বানাতে পারা যায় কথাটা সত্য কিন্তু ২৫০ ডলার + নিজের সময় শ্রম মেধা হারানো লোকের সংখ্যাই বেশী । মনে রাখবেন গুগলের ১ নং পেজে নিজের ওয়েবসাইটে নিয়ে আসলেই আপনি সফল হবেন । অভিজ্ঞ মানুষদের ওয়েবসাইটই সেসব জায়গা দখল করে বসে আছে । আপনি কি এমন জানেন যে তাদের হারিয়ে আপনি এক নম্বরে আপনার ওয়েবসাইটকে নিয়ে আসবেন?
(এই ডক আমার অনুমতি ছাড়া কেউ এডি করবেন না)
মেহেদী হাসান ভাই এর লেখা।

Friday, April 22, 2016

একটি সফল ব্লগ সাইট

আমরা যারা ব্লগিং করি, আমাদের প্রথম যেটা ধরকার হয় সেটা হল একটি ওয়েবসাইট/ ব্লগ সাইট। আর ব্লগ সাইট তৈরি করতে হলে আমাদের প্রয়োজন হয় ডোমেইন আর হোস্টিং এর। ডোমেইন আর হোস্টিং এর জন্য আমাদের কিছু টাকা দরকার হয়। কিন্তু  blogger.com এর ব্লগস্পট ব্লগিং প্লাটফর্ম আমাদের ডোমেইন এবং হোস্টিং সম্পূর্ণ ফ্রী দিয়ে থাকে। এই কারনে যারা একদম নতুন, তাঁরা তাদের প্রথম ব্লগিং ব্লগস্পট প্লাটফর্মে শুরু করে।
কিন্তু ইন্টারনেটে যখন টিউনারপেজে অথবা অন্যান্য ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ দেখে তখন ব্লগস্পট ব্লগার দের মনে একটি প্রশ্ন থাকে
ব্লগস্পট সাইট দিয়ে কি সফল ব্লগার হওয়া যায়? আমার উত্তর হল হ্যাঁ যায়। চলুন তাহলে।
  • দেখে নিন একটি সফল ব্লগস্পট সাইট
আমি দৈনিক ১ ঘণ্টা হলেও ব্লগ পড়ে থাকি। আমি ব্লগার বিষয়ক কিওয়ার্ড দিয়ে বেশি সার্চ করে থাকি। যখনি আমি seo,blogger widget, এইসব কিওয়ার্ড দিয়ে সার্চ দেই একটি সাইট প্রথমে আসে। আমি তো পুরাই অবাক কতো ভাল মানের সাইট পেছনে ফেলে এই সাইট কিভাবে প্রথম হয় । তাহলে চলুন সেই সাইট সম্পর্কে জানি
  • সাইটের লিংক
    http://helplogger.blogspot.com/
  • গুগল পেইজ রেঙ্ক — ৫ [ চিন্তা করেন]
  • আলেক্সা রেঙ্ক —- ২৪৫২৭
  • ডেইলি পেইজ ভিউ — ২২,১৮৯
বিশ্বাস হচ্ছে না? দেখুন ব্লগস্পট সাইট  একটি ফ্রী ব্লগস্পট ব্লগ দিয়ে কি সফল ব্লগার হওয়া যায়
এই সাইট টি এক পাকিস্থানের ব্লগার এর। আপনারা হয়ত জানেন যে পাকিস্থানের সফল ব্লগার দের প্রথম চয়েস হল ব্লগার.কম।
ব্লগিং এর সফলতা নির্বর করে ভাল কন্টেন্ট আর এস ই ও এর উপর। আপনার যদি এই ২ টাই থাকে তাহলে সফল ব্লগার হওয়া সময়ের ব্যাপার। যারা ব্লগস্পট সাইটে ব্লগিং করছেন, এই পোস্ট আপনাদের অনেক উৎসাহিত করবে আশা করি। 

আমি একজন সফল ব্লগার

ব্লগিং কি? শুরুতেই জানা দরকার। অনেকেই না বুঝে অনেক কিছুই করে থাকেন। অথচ বুঝে করলে সফল হবার ব্যপার থাকে। ইন্টারনেটের কোন পাইজে লিখা কিংবা কোন বিষয়ের উপর মন্তব্য প্রকাশ কিংবা নতুন আইডিয়া শেয়ার করাকে বলা হয় ব্লগিং। যিনি করেন তাকে বলে ব্লগার। তাহলে এখানে সফলতার প্রশ্ন কেন? ঠিক ধরেছেন। সফল বিফল বিষয়টি কি?
লেখক হবার পরপর সফল হবার প্রশ্নটিও চলে আসে। এরকম লেখকের অনেক কষ্ট যার কোন পাঠক নেই। তেমনি যে ব্লগারের ভিজিটর নেই তার তেমন কোন দাম নেই। এজন্যই সফল ব্লগারের প্রশ্ন।
নিচের পদক্ষেপ সমুহ মেনে নিয়ে আপনিও হতে পারেন একজন সফল ব্লগার।
ব্লগের ফ্লাটফর্ম নির্ধারন- এই বিষয়টি খুবই গুরুত্বপুর্ন। কোন ফ্লাটফর্মে আপনি লিখবেন তা যদি ঠিক না করেন তবে আপনার মাঝে আর অন্য অনেকের মাঝে তেমন কোন অমিল থাকবে না। তাই এ নিয়ে চিন্তা করে বের করা উচিত যে আপনি কি নিয়ে লিখবেন।
ওয়েবসাইট সম্পর্কে বিস্তারিত জ্ঞান- বিস্তারিত না হোক মোটামুটি জ্ঞান থাকা বাঞ্চনীয়। কারন এখানে আপনি কী করবেন কেন করবেন আর কিভাবে করবেন এই বিষয় মাথায় রাখা জরুরী।ওয়ার্ডপ্রেস সম্পর্কে বিস্তারিত জানা দরকার। কিভাবে এস ই ও(SEO) মেনে লেখা প্রকাশ করা যায়?

হোষ্টীং- অনেকেই ফ্রী হোষ্টীং নিয়ে ব্লগিং করে থাকেন। কিন্তু কেন? আপনি তো শুধু সময় নষ্ট করে লিখে যাবেন আর কোন না কোন ভাবে লাভবান হবেন না তা কি হয়? এজন্য ফ্রী হোষ্টিং না নিয়ে প্রিমিয়াম হোষ্টীং নেয়া উচিত। এতে কোন ভাবে ডিজেবল বা ব্যন হবার ভয় থাকে না। তবে প্রাকটিস করার জন্য ফ্রী হোষ্টিং নেয়া যেতে পারে।
শুরুতেই আয় না করা-  অনেকেই ব্লগে কিছু না লিখে ভিজিটর না আসার আগেই বিজ্ঞাপন দিয়ে ব্যাস্ত করে ফেলেন। তেমন না করাই ভাল। প্রথমে মানুষের কাছাকাছি থাকার চেষ্টা করতে হবে। এবং ব্লগ কে অর্থবহ করে তুলতে হবে। তবেই ব্লগে জনপ্রিয়তা পাবে। জনপ্রিয় একটি ব্লগের আয় কত তা আর লিখে বলার দরকার নেই।