Wednesday, May 18, 2016

টপ লেবেল ডোমেইন এর গুরুত্ব কতটুকু

প্রিয় পাঠকবৃন্দ আমি হৃদয় কুমার দাস। আজ আমি আলোচনা করব টপ লোবেল  ডোমেইন নিয়ে মানে কতটুকু টপ লেবেল ডোমেইন গুরুত্ব।

টপ লেবেল ডোমেইন কি কি : আমাদের দেশে বর্তমানে আনেক সংস্থা আছে যারা টপ লেবেল ডোমেইন সেল করে থাকে যেমন ইকরা  (Eicra) বাংলাদের এ বড় কম্পিনি। .Com  |.Org |.Biz |.Net  ইত্যাদি হল টপ লেবেল ডোমেইন।  টপ লেবেল ডোমে নেওয়ার ফলে, আমাদের বিভিন্ন ধরনের সুবিধা পেয়ে থাকি।

আলেঞ্জা রেঙ্ক এর টপ লেবেল ডোমেইন গুরুত্ব: আমদের বিশ্বে প্রতিনিয়ত হাজার হাজার সাইট তৈরি হচ্ছে কিন্তু সব সাইটকেই তো আর আলেঞ্জার যার্ককিং প্রথমে রাখা যায় না।  আর আমাদের আনেক সাব ডোমেইন সাইট আছে যেমন  ব্লগস্পট, ওযার্ডপ্রেস ইত্যাদি এই সব সাইট আগে আলেঞ্জা রেঙ্ককিং শো করতে কিন্তু বর্তমানে আর সাব ডোমেইন সাইটে আলেঞ্জা সাইটের রেঙ্ককিং শো করে না।  আনেকের সাইটে টপ লেবেল ডোমেইন থাকা সত্তেও আলেঞ্জা রেঙ্ককিং শো করে না।

ডোমেইন এর নাম নির্বাচন: আমরা আনেকেই এই বিষটির উপর গুরুত্ব দেই না।  ডোমেইন নির্বাচন হল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।  আপনি ডোমেইন নিচ্ছেন একদিন জন্য নয় বরং সারা জীবনের জন্য নিচ্ছেন। তাই ডোমেইন নির্বানমটমচেনর সময় এই বিষয়টিকে গুরিত্ব সহকারে নিবেন।

ধরুন আপনি একটি ডোমেইন নিলেন সেটির আপনার কাছে ভালো কাছে ভালো লাগল না সেই ক্ষেত্রে আপনি কিন্তু ডোমেইন নাম পরিবর্তন করতে পারবেন না।  আর ভেবে চিন্তে ছোট একটি ডোমেইন নাম নির্বাচন করুন।  যাতে সহজেই ভিজিটর আানার ডোমেইন নাম মনে রাখতে পরে।  বড় ডোমেইন নিলে ভিজিটররা আপনার সাইটে ডুকতে চাবে না। তাই ছোট্টখাট্টো একটি ডোমেইন নির্বাচন করাই ভালি।

আডসেন্স পাওয়া ও বিভিন্ন কম্পানির বি জ্ঞ  াপন পাওয়া টপ লেবেল ডোমেইননএর ক্ষেত্রে:  আনেক আগে আমাদের সাব ডোমেন সাইটে আডসেন্স অ্যাপরুভ হত মানে ব্লগস্পট ও ওযার্ডপ্রেস সাইটে কিন্তু গুগলের বর্তমান কন্ডিশন খুব কঠিন, এখন আর এইসব সাইটে আডসেন্স অ্যাপরুভ করে না,  আনেক সময় দেখা যায় চপ লেবেল ডোমেইন সাইটেও আডসেন্স অ্যাপরুভ করে না।  কিন্তু সময় নিয়ে এবং সাইটের পিছনে শ্রম দিলে আপনার আডসেন্স অ্যাপরুভ হবেই।  আমি কনফিডেন্স নিয়ে বলছি পাবেন আপনার সোনার হরিন মানে আডসেন্স। 

কত প্রকার গুগল অডসেন্স এবং বর্ননা

নতুনরা চলুন জেনে নেওয়া যাক আডসেন্স কত প্রকার ও কি কি এবং এর বিশ্লেষন।



বর্তমানে ব্লগিং করে না এমন মানুষ খুবই কম আছে।  আর ব্লগিং করে আনেকে আনেক টাকা উর্পার্জন করছে। বাংলাদেশে এমনও ব্লগার আছেন যারা প্রতি মাসে হাজার ডলার ইরকাম করছেন।



আমি হৃদয় কুমার দাস। আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোককপাত করব। যা আমাদের ব্লগিং বিয়েরউপর আনেক কার্যকরী।



আডসেন্স কত ট্রকার ও কি কি আর এর ছোটখাটো কিছু বিশ্লেষণ।



গুগল শুধু নিজেই কোটি কোটি টাকা উর্পাজন করে না বরং কিছু মানুষদের টাকা উর্পাজন করার পথ দেখিয়ে দেয়। আপনি আপনার সাইট থেকে বিভিন্ন ভাবে টাকা উর্পাজন করতে পারেন।  যেমনঃ বিজ্ঞাপন প্রর্দশনের, অফিলিয়েট মার্কেটিং ইত্যাদির মাধ্যমে একটি ব্লগ থেকে টাকা উর্পাজন করা সম্ভব।  বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বিজ্ঞাপন প্রর্দশনের মাধ্যমে ব্লগারেরা আয় করে থাকেন।



বিশ্বের আনলাইনের  সর্ববৃহৎ  বিজ্ঞাপন দাতারা হলে গুগল আডসেন্স। এই সাইটি মানে এই সংস্থাটি স্থাপিত হয় ১৯৯৮ সালে।  পূনরভাবে যাত্রা শুরু করে ১৮ জুন, ২০০৩ সালে। সংস্থাটির মালিক হলেন গিল্যাড আলবার্জ ও এদ্যাম ওয়াইসেসম্যান। (Gilad Elbaz and Adam Weissman)



আডসেন্স কি ও কত প্রকার:



আডসেন্স হল গুগলের একটি কম্পানি। ধরুন, আপনার একটি সাইট আছে, সেই সাইটে অন্য কম্পানি বিজ্ঞাপন   পরিদর্শন করিয়ে উর্পাজন করতে পারেন। মূলত আডসেন্স তিন প্রকার।  যথা ১. ফুল অ্যাপরুভ গুগল আডসেন্স। ২. ইউটিউব হোস্টটেড গুগল আডসেন্স।  ৩. ব্লগস্পট হোস্টটেড গুগল আডসেন্স।



০১. ফুল অ্যাপরুভ গুগল আডসেন্স : (Fully approved (Google) AdSense.)



আমাদের ফুল অ্যাপরুভ আডসেন্স পাওযা এখন একটু কঠিন। ভালো টপ লেবেল ডোমেইন ছাড়া এটি পাওযা এখন প্রায় অসম্ভব। আপনি ফুল অ্যাপরুভ আডসেন্স ৫০০ যেকোনো  সাইটে আপনার আডসেন্স পরিদর্শন করাতে পারেন। শুধু মাত্র টপ লেবেল ডোমেইন সাইট হলে, এই আডসেন্স একাউন্ট যেকোনো সাইটে ব্যবহার করা যাবে।



০২. ইউটিউব হোস্টটেড আডসেন্স:  (YouTube Hosted (Google) Adsense)



আনেক আগে ইউটিউব থেকে আডসেন্স একাউন্ট অ্যাপরুভ করত। এখন আর আপনি যেকোনো  টপ লেবেল সাইটে আড পরিদর্শন করাতে পারবেন না।  এখন আপনি শুধু ইউটিউবে পরিদর্শন করাতে পারবেন। আগে ব্লগস্পট যেকোনো সাইটে এইসব আড পরিদর্শন করানো যেতে চপ লেবেল সাইটেও যেত, এখন আর করা যায় না।



ব্লগার হোস্টটেড আডসেন্স একাউন্ট : (Blogger Hosted (Google) Adsense)



এটির মাধ্যমে আপনি যেকোনো ব্লগার সাইটে আপনার আড কোড পরিদর্শন করাতে পারেন। কিন্তু ৫০০ সাইটের বেশি আড কোড পরিদর্শন করাতে পাবেন না। এটি যেকোনো টপলেবেল সাইটে বা ইউটিউবে পরিদর্শন করাতে পারবেন না।

ধন্যবাদ সবাইকে ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন।  পরবর্তিতে আরো গুরুত্বপূন্য পোস্ট নিয়ে হাজির হব।  এপর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন। 

Tuesday, May 17, 2016

নটর ডেম কলেজের ভর্তি পরীক্ষা ভর্তি হওয়ার সব থেকে সহজ কৌশল

নটর ডেম কলেজের ভর্তি পরীক্ষা ভর্তি হওয়ার সব থেকে সহজ কৌশল
শুরুতেই বলে রাখি লেখাটার উদ্দেশ্য হল- যারা নটর ডেম কলেজে(বিজ্ঞান বিভাগে) ভর্তি পরীক্ষা দিতে যাবে তাদের সামান্য সাহায্য করা। এই সাধারণ পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে যেভাবে ব্যবসা শুরু হয়েছে সেটা বন্ধে ছোট একটা পদক্ষেপ বলতে পারেন। এই লেখা পড়ে একজন নটর ডেম কলেজে ভর্তি ইচ্ছুক ছাত্র বিনা মূল্যে সম্পূর্ণ ভর্তি প্রক্রিয়া জেনে যেতে পারবেন। এই লেখাটায় থাকবে নটর ডেম কলেজের ভর্তি পরীক্ষা সম্পর্কে যাবতীয় প্রশ্ন এবং উত্তর।
ঢাকার বাইরে থেকে এসে এই কলেজে পড়তে গেলে থাকা-খাওয়া নিয়ে কি সমস্যা হবে?
এই প্রশ্নটা খুব কমন প্রশ্ন। থাকার সমস্যার কথা চিন্তা করে ঢাকার বাইরের অনেকেই এই কলেজে ভর্তি পরীক্ষার ফর্ম তুলে না। কলেজের নিজস্ব ছাত্রাবাসে থাকা না গেলেও কলেজের পাশেই আরামবাগে অনেক ছাত্র হোস্টেল আছে। যেখানে নটর ডেম কলেজের অধিকাংশ ছাত্র থাকে। সেখানে থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা খুবই ভাল। এসব হোস্টেল কলেজের একেবারে সাথেই বলা চলে। হোস্টেল থেকে কলেজে যেতে ২ মিনিট সময় লাগে। তাই এই ব্যাপারে চিন্তার কোন কারণ নেই।
ভর্তি পরীক্ষা কারা দিতে পারবে?
ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার আগে নির্ধারিত একটি দিনে ফর্ম তুলতে হবে এবং তারপর সেই ফর্ম জমা দেয়ার পর জানা যাবে ভর্তি পরীক্ষা কবে হবে এবং কখন হবে। ফর্ম তোলার পর কলেজ থেকে একটি তালিকা প্রকাশ করা হবে। সেখানে যারা পরীক্ষা দিতে পারবে তাদের রোল নাম্বার দেয়া থাকবে।
২০১৪ সালে বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি পরীক্ষা দিতে পেরেছিল যারা, তারা সকল বিষয়ে এ+ পেয়েছিল। কিন্তু ২০১৫ সালে ব্যাপারটায় একটু পরিবর্তন আসে। যাদের এসএসসির রেজাল্ট এ+ ছিল তাদেরকে পরীক্ষা দিতে দেয়া হয়েছিল এবং তারা চান্সও পেয়েছিল। বিজ্ঞানের কোন বিষয়ে এবং ইংরেজিতে এ+ মিস গেলে তাদের পরীক্ষা দিতে দেয়া হয় নি। বাংলা, সমাজ, ধর্ম- এই বিষয়গুলোতে যাদের এ+ আসেনি তারা পরীক্ষা দিতে পেরেছিল গতবছর। বাংলা,সমাজ,ধর্ম- এই বিষয়গুলোতে যদি কারও এ+ না আসে তাহলে তারাও অবশ্যই ফর্ম তুলবে। গতবছর যেমন কিছু বিষয়ে পরিবর্তন এসেছে, এবারও কিছু পরিবর্তন আসলে আশ্চর্য হবার কিছু থাকবে না। তাই গণিত, ইংরেজি বা অন্য কোন বিষয়ে এ+ মিস গেলেও ফর্ম তুলে ফেলো।
গতবছর অনেকে সব বিষয়ে এ+ পায় নি বলে ফর্ম তুলেনি। কিন্তু তারা পরীক্ষা দিলে হয়ত অনেকেই চান্স পেয়ে যেতে পারত। গতবছর অনেকেই এজন্য আফসোস করেছিল। তুমি তো আগেই জেনে গেলে। আশা করি, তোমার আফসোস করতে হবে না।
ভর্তি পরীক্ষার ফর্ম কবে দেয়া হবে? পরীক্ষা কবে হবে?
নটর ডেম কলেজের ভর্তি পরীক্ষার ফর্ম কবে ছাড়া হবে- সেটা এখনও কলেজ কর্তৃপক্ষ জানায়নি। প্রথমে ফর্ম ছাড়ার সময় জানানো হবে। তারপর ফর্ম তুলে জমা দেয়ার পর জানতে পারবে পরীক্ষার তারিখ এবং সময়। শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন- ২৬ মে থেকে কলেজ ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু হবে। অর্থাৎ ২৬ মে-এর মধ্যে জেনে যাবে কলেজ থেকে কবে ফর্ম দেয়া হবে।
ভর্তি পরীক্ষার ফর্ম কি বাবা-মা তুলতে পারবেন?
না। নিজে লাইনে দাঁড়িয়ে তোমাকেই ফর্ম তুলতে হবে। কারণ ফর্ম হাতে পাবার পর সেদিনই ফর্ম পূরণ করে তোমার নিজের স্বাক্ষরসহ ফর্ম জমা দিতে হবে এবং এসময় একজন অভিভাবকের স্বাক্ষর লাগে। তাই তোমার নিজের উপস্থিতি এবং বাবা অথবা মা একজনের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। তবে ফর্ম পূরণের সময় বাবা-মা অথবা বড় কারও সাহায্য নিতে পারো। বন্ধুদের সাথে ফর্ম তুলে একসাথে জমা দিতে পারো। এর ফলে পরীক্ষা হলে আশেপাশে পরিচিত মুখ দেখতে পাবে। তবে পরীক্ষা হলে দেখাদেখি বা কথা বলতে পারবে না।
২য় দিন ফর্ম তুললে কোন সমস্যা হবে কি?
ফর্ম তোলার জন্য ২ দিন সময় দেয়া হয়। প্রথম দিনে অনেক ভিড় হয় এবং ২য় দিনে তেমন ভিড় হয় না। অনেকেই প্রথম দিন খুব ভোরে লাইন ধরেন। যারা ঢাকার বাইরে থেকে আসবেন তাদের জন্য ২য় দিনে ফর্ম তোলা সুবিধাজনক হবে। এতে ঢাকায় এসে থাকার জন্য আলাদা খরচ করতে হবে না। ২য় দিনে ফর্ম তুললে চান্স পাওয়া যাবে না – এই ধারনা একেবারেই ভুল। আবার সবার আগে ফর্ম তুললে চান্স নিশ্চিত এই ধারণা করে আগের দিন রাতে গেটের সামনে ঘুমানোও বোকামি হবে। তাই যারা ঢাকায় থাকো তারা প্রথম দিন খুব সকালেই চলে যাবে। আর যারা ঢাকার বাইরে থেকে আসবেন তাদের জন্য ২য় দিনে ফর্ম তোলাটাই ভাল হবে।
পরীক্ষার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া কেমন হয়?
এই ভর্তি পরীক্ষাটার দুইটা অংশ- ১। লিখিত এবং ২। মৌখিক
লিখিত পরীক্ষার সময়কাল ৩০ মিনিট। এই ৩০ মিনিট সময়ে প্রশ্নপত্রের সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। তবে দেখাদেখির চেষ্টা না করাই ভাল। লিখিত পরীক্ষা শেষ হবার পরপরই মৌখিক পরীক্ষা হবে। সেখানে খুব সাধারণ কিছু প্রশ্ন করা হয়। একটা প্রশ্ন সবাইকেই করা হবে – “তুমি এই কলেজে কেন পড়তে চাও?” উত্তরে সত্য কথাটাই বলবে। উত্তরে বলতে পারো – তোমার নিজের ইচ্ছা আছে এবং সেই সাথে বাবা-মার ইচ্ছা আছে। এই কলেজটিতে কোন প্রকার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নেই এবং শিক্ষার মান অনেক ভাল বলে ইচ্ছাটা আরও বেশি। পরিবারে এই কলেজের কোন ছাত্র থাকলে তার নাম উল্লেখ করে দিতে পারো।
লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন কোথা থেকে আসে?

নটর ডেম কলেজের ভর্তি পরীক্ষা Notre Dame College Admission Test

নটর ডেম কলেজের ভর্তি পরীক্ষা
২০১২,২০১৩,২০১৪ সালে ইংরেজি গ্রামার ১০টা, ফিজিক্সে ৫ টা এমসিকিউ, কেমিস্ট্রিতে ৫ টা এমসিকিউ এসেছিল। তবে ফিজিক্স-কেমিস্ট্রিতে কোন কঠিন অংক ছিলনা। গণিত বিভাগ থেকে ৪ টা অংক দেয়া হয়। ২০১৫ সালে ইংরেজি গ্রামার ১০টা, ফিজিক্সে ৪টা এমসিকিউ, কেমিস্ট্রি থেকে ৪টা এমসিকিউ এবং বায়োলজি থেকে ২ টি এমসিকিউ এসেছিল। আর গণিত বিভাগ থেকে ৪টি অংক এসেছিল। তবে গণিতে সৃজনশীল প্রশ্ন করা হয় নি। প্রতি বছরের প্রশ্ন বই থেকেই আসে। গণিতের উপর জোর দিতে পারো। পরীক্ষার আগে এসএসসি পরীক্ষার আগে গণিতের উপর যেমন প্রস্তুতি নিয়েছিলে, এবারও তেমন করে প্রস্তুতি নিবে।
লিখিত পরীক্ষা কয়েক শিফটে হয়। যেমনঃ ধর, ১০টা থেকে ১১ টা এক শিফট আবার ১১ টা থেকে ১২ টায় আরেক শিফটের পরীক্ষা হবে। এভাবে বেশ কয়েকটা শিফটে পরীক্ষা নেয়া হয় এবং প্রতি শিফটে প্রশ্ন আলাদা থাকে। ২০১৫ সালে কোন কোন শিফটের প্রশ্নে ২টি সাধারণ জ্ঞান ছিল, আবার কোন কোন শিফটে সাধারণ জ্ঞান আসেনি। তবে ৪টি অংক পারার প্রতি জোর দিলেই ভাল ফলাফল আশা করতে পারো।
সাধারণত ক্যালকুলেটর নিতে দেয়া হয় না। কিন্তু গতবছর পরীক্ষার সময় ক্যালকুলেটর নিতে দেয়া হয়েছিল। তাই এবার ক্যালকুলেটর নিয়ে যেতে পারো।
মৌখিক পরীক্ষায় প্রশ্ন কেমন হয়?
উপরে একবার বলে দিয়েছি একটা প্রশ্ন কমন থাকে- “কেন এই কলেজে পড়তে চাও?” আর এই প্রশ্নের উত্তরটাও বলে দিয়েছি। এর বাইরে অনেক রকম প্রশ্নই করা হয়। অনেককে তেমন কোন প্রশ্ন করা হয় না আবার অনেকের খুবই কঠিন কিছু প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়। তাই মৌখিক পরীক্ষার ব্যাপারে বলব- পজিটিভ থাকার চেষ্টা করো।
কেমন ড্রেসআপে যেতে হবে? ফর্মাল ড্রেস কি আবশ্যিক?
ফর্মাল ড্রেসে যেতে চাইলে যেতে পারো। সেটা খুবই ভাল; কিন্তু আবশ্যিক নয়। সাধারণ গেটাপেও যেতে পারো। খুব সাধারণ বলতে শার্ট আর এক রঙের চার পকেটের প্যান্ট পড়তে পারো। তবে জিন্স না পড়াটাই ভাল। এমনও অনেকে আছে যারা পাঞ্জাবি পড়ে পরীক্ষা দিয়েও চান্স পেয়েছে। সহজ কথায়, ভদ্র এবং মার্জিতভাবে যেতে হবে। চুল,নখ ছোট রাখাতে ভুল না।
পড়ার মত জুতা না থাকলে স্যান্ডেল পড়েও যেতে পারো। স্পঞ্জের স্যান্ডেল পড়েও চান্স পেয়েছে এমন উদাহরণও অনেক আছে। সত্যি কথা হল, স্মার্টনেস কাপড়ে থাকলেই হবে না ভেতরেও থাকতে হবে। শার্টের বুকের বোতাম লাগান না লাগানো নিয়ে অনেকের অনেক রকম প্রশ্ন থাকে। ভদ্রতা হল বুকের বোতাম লাগিয়ে যাওয়া। এ ব্যাপারে পরামর্শ থাকবে- ব্যতিক্রম হবার চেষ্টা করো না, এটা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না।
অনেকে নিজেকে বেশি সহজ সরল সাজানোর জন্য কলারের বোতাম লাগিয়ে যায়। এটার তেমন প্রয়োজন নেই। কলারের বোতাম খুলে যাবে।
পরীক্ষার প্রস্তুতি কিভাবে নিতে হবে?
ইতিমধ্যে তোমরা জেনে গিয়েছ আগের বছরগুলোতে কোন কোন বিষয় থেকে প্রশ্ন এসেছিল। সেই সাথে সেটাও জেনে গিয়েছ এসএসসি পরীক্ষার সময় তোমার যে পাঠ্যবই ছিল, সেখান থেকেই সকল প্রশ্ন এসেছে বিগত বছরগুলোতে। তাই বই-এর বাইরে কঠিন বিষয় আয়ত্ত করার কোন প্রয়োজন নেই। নটর ডেম কলেজের গেটের সামনে যেসব ভর্তি গাইড দেয়া হয় সেগুলোরও কোন প্রয়োজন নেই।
সবচেয়ে ভাল প্রস্তুতি নিতে বই-এর অংকগুলো দেখে যেতে পারো। পরীক্ষায় সবগুলো অংক পারার চেষ্টা করবে। আর অন্যান্য বিষয়, যেমনঃ ফিজিক্স,কেমিস্ট্রি, বায়োলজি- পড়তে পারো। তবে গণিত বিভাগের অংকগুলো পারার উপর জোর দিতে হবে। এক রাতের প্রিপারেশন নিতে চাইলে- শুধুমাত্র এসএসসি-র সাধারণ গণিত এবং উচ্চতর গণিত বই-এর অংকগুলোর সমাধান দেখে যেতে পারো। তবে কয়েকদিন প্রস্তুতি নেয়াটা ভালো। পরীক্ষা হলে দেখবে এমন প্রশ্ন এসেছে যেগুলো তুমি মনে করবে যে পারো কিন্তু লিখতে গিয়ে দেখবে ভুলে গেছ। এই ভুলে যাওয়াটা থেকে রক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেয়া জরুরী।
পরীক্ষা খাতায় লেখার কিছু টিপস
১। পরীক্ষার প্রশ্নেই উত্তর লিখতে হবে; কোন প্রকার খাতা বা রাফশিট দেয়া হবে না। ৩০ মিনিট সময়ে সব প্রশ্নের উত্তর করাটা কঠিন কাজ, তাই ঘড়ি নিয়ে যাবে। একটি পাতায় প্রশ্ন করা হয়। প্রথম পৃষ্ঠায় থাকবে সকল প্রশ্ন আর দ্বিতীয় পৃষ্ঠা ফাঁকা থাকবে। প্রথম পৃষ্ঠায় প্রশ্নের পাশে ফাঁকাস্থানে উত্তর লিখতে হবে। ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, ইংরেজি-এর এমসিকিউ অংশের উত্তর এক শব্দে দেয়া যায়। তাই এই বিষয়গুলোর উত্তর করতে কোন সমস্যা হবে না। গণিত অংশের উত্তর করতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে পারো।
২। গণিত অংশে বিগত বছরগুলোতে মোট ৪টি অংক দেয়া হয়েছে। প্রতি অংকের মাঝে দুই আঙ্গুলের মত ফাঁকা জায়গা পাবে। এতো ছোট জায়গায় কিভাবে উত্তর করতে হয় সেটা জানা খুব জরুরী। উপরে একবার উল্লেখ করেছি, দ্বিতীয় পৃষ্ঠা খালি থাকে। এই খালি পৃষ্ঠাকে কাজে লাগাতে হবে। কারণ তোমাকে কোন রাফ কাগজ দেয়া হবে না। কৌশলটা হল- পেন্সিল আর স্কেল দিয়ে শুরুতেই সমান চারভাগ করে নিবে এই সাদা পৃষ্ঠা। এরপর এখানে ৪টি অংশে পেন্সিল দিয়ে চারটি অংক করবে। পেন্সিল দিয়ে অংকগুলো রাফ করবে, তারপর প্রথম পৃষ্ঠায় চলে যাবে। অংকটি খুব দ্রুত, ছোট করে এবং স্পষ্টভাবে সমাধান করে দিবে।
৩। পরীক্ষার শুরুতে অংক প্রশ্নগুলো দেখবে। যদি পারো অংকগুলো করে ফেলবে; না পারলে অন্য প্রশ্নগুলো উত্তর করবে। উত্তর করতে করতে অংকের সমাধান মাথায় কাজ করলে তো কেল্লাফতে। একটি অংক না পারলে সেটার পেছনে একদম সময় নষ্ট করবে না। পরের উত্তরগুলো করতে থাকবে। শেষে দেখবে তোমার সকল উত্তর করা শেষ তবে হাতে ৯-১০ মিনিট সময় আছে। তখন চিন্তা করে বাকি অংকের সমাধান করতে পারবে।
৪। উত্তরে যথাসম্ভব চেষ্টা করবে সঠিক উত্তর লিখার। অবান্তর কোন কিছু লিখে আসবে না।
৫। নটর ডেমে পড়ে এমন কোন বড় ভাইয়া থাকলে তার সাথেও কথা বলতে পারো। আর যে কোন প্রশ্নের জন্য কমেন্ট সেকশন তো খোলা আছেই। যারা কলেজে পরীক্ষা দিবে তাদের জন্য রইল শুভকামনা।
শেষের কথা
এই কলেজের ভর্তি প্রক্রিয়া কিভাবে চলে সেটা শুধুমাত্র কলেজ কর্তৃপক্ষ জানেন। আমরা ছাত্র হিসেবে আমাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করলাম। নটর ডেম কলেজের ছাত্র হয়ে এই কলেজের ভর্তি নিয়ে ব্যবসা হতে দেখব আর চুপ করে মেনে নেব, এটা আসলেও অনেক কষ্টের কাজ। এখানে এমন সব কথা বলা হয়েছে- যেসব কথা কোচিং সেন্টারের হয়ে বললে কিছু টাকাপয়সা জোগাড় করা অসম্ভব কিছু ছিল না। অবশ্য অনেকে সে উপায়ে অবলম্বন করে অর্থ উপার্জন করছেনও। আশা করি, যখন সবাই বলবেন নটর ডেম কলেজে ভর্তি হতে কোচিং করতে হয় না তখন দেশে অন্তত একটা ক্ষেত্রে কোচিং নির্ভরতা কমবে। অনেকেই আছেন সত্যটা জানেন তবে নটর ডেম কলেজের ছাত্র নন বলে এই সত্যগুলো বলতে পিছপা হন। এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে হবে নটরডেমিয়ানদের। দেশকে নিয়ে পজিটিভ চিন্তা করি, সেই সাথে আসুন কিছু পজিটিভ কাজও করি। এই বিপুল জনসংখ্যার দেশে অনেক মানুষের পজিটিভ কাজের জন্য পরিবর্তন আসতে খুব বেশি সময় লাগবে না।
লিখতে সাহায্য করেছে – নটর ডেম কলেজের ‘১২ ব্যাচের মুসতাকিম আহমেদ সানি(ভাই), ‘১৪ ব্যাচের কামরুল হাসান সাব্বির(ভাই), ‘১৫ ব্যাচের মিফতাউল ইসলাম পান্থ(ভাই), ‘১৭ ব্যাচের সাহাবি মাহমুদ অনন্ত , ‘১৭ ব্যাচের জামিউল হক দীপ্ত।
লিখেছেন সামিউল ইসলাম

Saturday, April 23, 2016

গুগলে সাইট র‍্যাংক বাড়ানোর ৩ টি উপায়

১. আপনার প্রতিযোগীরা গুগলে র‍্যাংক পেতে কোন সোর্স থেকে ব্যাকলিংক নেয় সেগুলো অনুকরন করুন

শুধু শুধু কষ্ট করে ব্যাকলিংক কালেক্ট করার কোন দরকার নেই । এতে আপনার সময় নষ্ট হবে । আপনার প্রতিযোগীদের ওয়েবসাইট গুলো লক্ষ্য করুন । তারা কোন সোর্স থেকে ব্যাকলিংক নিয়ে গুগলে র‍্যাংক পেয়েছে সেটা ফলো করুন ।
১ম ধাপ: আপনি যে কী-ওয়ার্ডটি র‍্যাংক করতে চান সেটা লিখে গুগলে সার্চ করুন এবং যে ওয়েবসাইট প্রথমে এসেছে সেটা নোট করে রাখুন ।
২য় ধাপ: আপনার কী-ওয়ার্ড সার্চ করার পর আপনি যে পেইজ গুলো পেয়েছেন সেই পেইজের ব্যাকলিংক গুলোর একটা লিস্ট করে ফেলুন । (ওয়েবসাইটের ব্যাকলিংক চেক করার জন্য এইটা SMALLSEOTOOLS ব্যাবহার করতে পারেন । এবং এই রকম আরো অনেক ফ্রী টুলস আছে । তবে পেইড টুলস গুলো আপনাকে নিঁখুত ফলাফল দিবে । যেমন AHREFS ).
৩য় ধাপ: আপনি যে ব্যাকলিংক গুলোর লিস্ট করেছেন, সেগুলো থেকে দেখে নিন কোন ব্যাকলিংকগুলো অথরিটি সাইট থেকে এসেছে । ( ডোমেইন রেটিং অনুযায়ী ফিল্টার করে ফেলুন)
৪র্থ ধাপ: এইবার আপনার কাজ হলো বাছাই করে বের করা, তাদের ওয়েবসাইটে কি কি ফিচার আছে যেটা আপনার ওয়েবসাইটে নেই । সেই ফিচার গুলো আপনার ওয়েবসাইটে পুরন করার চেষ্টা করুন । আপনি ব্যাকলিংক দিয়ে শুরু করতে পারেন । আপনিতো আগেই ব্যাকলিংকগুলোর লিস্ট করে ফেলেছেন । এইবার দেখুন কোন লিংকগুলো পেতে আপনার সহজ হবে এবং সেগুলো থেকে শুরু করুন ।
৫ম ধাপ: আপনার কী-ওয়ার্ড সার্চে যে সাইট গুলো দ্বিতীয় তৃতীয় বা দশম স্থানে আছে সবগুলোর ক্ষেত্রেই একই কাজ গুলো করুন । মানে আপনি সবগুলোরই ব্যাকলিংক সংগ্রহ করুন । এইভাবে দেখবেন আপনার নিশ সম্পর্কিত প্রচুর ব্যাকলিংক পাবেন এবং আপনার কী-ওয়ার্ড র‍্যাংক করানোর ক্ষেত্রে বসে বসে আর ব্যাকলিংক খুঁজতে হবে না ।
আর এইভাবে কাজ করলে আপনার কাজগুলোর মধ্যে একটা শৃংখলতা বজায় থাকবে । নাহলে আপনি চিন্তা করে দেখুন ব্যাকলিংক খুঁজতে খুঁজতেই আপনি বিরক্ত হয়ে যাবেন ।

২. আপনার প্রতিযোগীদের “Linkable assets” কি আছে সেটা অনুসরন করুন ।

“Linkable assets” বিষয়টা কি আমরা সেটা একটু জেনে নিই ।
“Linkable assets” হলো আপনার ওয়েবসাইটের সবচেয়ে আকর্ষনীয় এবং তথ্যবহুল পেইজগুলোকে বুঝায় । আপনি এমন ভাবে পেইজগুলো তৈরি করবেন যেন অন্যরাও আপনার এই পেইজের লিংক দিয়ে কোথাও উদাহরন দিতে পারে । কিন্তু একটা ব্যাপার মাথায় রাখতে হবে, এই পেইজগুলো তৈরি করা কিছুটা কঠিন এবং বেশ সময় নিয়ে এই পেইজ তৈরি করতে হবে । ওয়েবসাইট র‍্যাংক করানোর ক্ষেত্রে এই পেইজগুলো বেশ কাজে লাগে ।
তো চলুন দেখে নিই কিভাবে এইরকম একটা পেইজ আমরা তৈরি করতে পারি ।
আপনি এই ক্ষেত্রে আপনার প্রতিযোগীদের ওয়েবসাইট নিয়ে কিছুটা সময় ব্যায় করতে হবে ।
১ম ধাপ: আপনার প্রতিযোগী ওয়েবসাইটের কোন পেইজে সবচেয়ে বেশি পরিমান ব্যাকলিংক আছে সেটা খুঁজে বের করুন । এবং সেই ব্যাকলিংকগুলোর একটা লিস্ট করে ফেলুন । (এটা বের করার জন্য আপনি ভালো কোন সাইট এক্সপ্লোরার ব্যাবহার করতে পারেন )।
২য় ধাপ: আপনার পেইজ খোঁজা হলে এইবার ভালো করে দেখুন এই পেইজে এমন কি আছে, যে কারনে অন্যারা তাকে ব্যাকলিংক দিচ্ছে ? সময় নিয়ে পেইজটা পর্যবেক্ষন করুন । যে বিষয়গুলো পেইজটাকে গুরুত্বপুর্ন করে তুলেছে সেগুলো আলাদা ভাবে টুকে রাখুন । এইবার আপনার কাজ হলো আপনি আপনার ওয়েবসাইটে যে পেইজকে “Linkable assets” করতে চান সেই পেইজটাকে ভালো রিসোর্স দিয়ে পরিপুর্ন করে ফেলুন । অবশ্যই লক্ষ্য রাখবেন আপনার রিসোর্স গুলো অবশ্যই জন্য আপনার প্রতিযোগীর চেয়ে ভালো হয়।
৩য় ধাপ: প্রথম ধাপ অনুসরন করলে আপনার এতক্ষনে এইটা বুঝে ফেলার কথা কারা আপনার প্রতিযোগীকে ব্যাকলিংক দিয়েছিল । এইবার আপনার কাজ হলো আপনার “Linkable assets” তাদের কে দেখানো । আপনার “Linkable assets” যত বেশি আকর্ষনিয় এবং অসাধারন করে তুলতে পারবেন তত বেশি তারা আপনাকে লিংক দেওয়ার ব্যাপারে আগ্রহী হবে ।
৪র্থ ধাপ: যত বেশি সম্ভব এই “Linkable assets” তৈরি করুন । শুধু পুরো একটা পেইজকেই যে “Linkable assets” বুঝায় সেটা না । আপনার একটা চমৎকার আর্টিকেলও হতে পারে একটা “Linkable assets” । এইভাবে প্রচুর পরিমানে “Linkable assets” তৈরি করলে আপনার আর ব্যাকলিংক নিয়ে কোন চিন্তা করতে হবে না । আপনার ওয়েবসাইট এমনিতেই ব্যাকলিংক পেতে থাকবে ।

৩. লিংক পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি এইরকম কন্টেন্ট পাবলিশ করুন

আপনি যদি নিশ্চিত না হন যে আপনার আর্টিকেল কি ব্যাকলিংক পাওয়ার যোগ্য কি না বা ব্যাকলিংক পাবে কি না, তাহলে এই ধরনের আর্টিকেল পাবলিশ করার কোন কারনই নেই ।
তো, আপনি যদি বুঝতে না পারেন কেমন আর্টিকেল পাবলিশ করা উচিৎ তাহলে কিছু বুদ্ধি খরচ করতে হবে ।
১ম ধাপ: আপনি যে ধরনের আর্টিকেল প্রকাশ করতে চান সেটার জন্য কয়েকটা কী-ওয়ার্ড বাছাই করুন ।
২য় ধাপ: আপনি যে কী-ওয়ার্ড গুলো নির্বাচন করেছেন এইবার সেগুলো গুগল সার্চ করুন । যে পেইজ এবং আর্টিকেলগুলো পেয়েছেন এইবার সেগুলোর ব্যাকলিংক সংখ্যা অনুযায়ী একটা লিস্ট করুন । ( আপনি এই ক্ষেত্রে কন্টেন্ট এক্সপ্লোরার ব্যাবহার করতে পারেন )
৩য় ধাপ: এইবার আপনার কাজ হলো আর্টিকেল গুলো ভালো করে পর্যবেক্ষন করা, কোন আর্টিকেল গুলো সবচেয়ে বেশি ব্যাকলিংক পেয়েছে এবং সেই ব্যাকলিংক গুলো লিস্ট করুন । আর নোট করে রাখুন আর্টিকেলটিতে কি এমন বৈশিষ্ট্য আছে যার কারনে সে এত ব্যাকলিংক পেল ।
৪র্থ ধাপ: আপনি এতক্ষন অনেক কষ্ট করলেন । এইবার আপনি যা যা বের করেছেন সব কিছু নিয়ে বসুন এবং চিন্তা করুন আপনার প্রতিযোগীর চেয়ে ভালো আর্টিকেল কিভাবে তৈরি করা যায় । আর্টিকেল তৈরি হয়ে গেলে আপনার কাজ হলো প্রতিযোগীর আর্টিকেল থেকে পাওয়া ব্যাকলিংকগুলোর কাছে পৌঁছানো । তাদেরকে আপনার আর্টিকেল দেখান । তাদের কাছ থেকে সাথে সাথে লিংক পেয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও আছে ।
Source: Mahjebin.com

এমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরুর আগে ?


উপরি কথাঃ
সম্ভবত বছর দুই কি আড়াই বছর আগের কথা ।
চারদিকে হৈ হৈ পরে গেল ফ্রিল্যানসিং করলে গাড়ি গাড়ি টাকা পাওয়া যায় ।
মানুষ গনহারে ওডেক্সে একাউন্ট খোলা শুরু করল । কিছু জানুক কি না জানুক ওডেক্সে একাউন্ট খুলে কাজের জন্য আবেদন করা শুরু করল ।
এমন অনেক পাবলিক পাওয়া গেল যারা কিনা ক্লায়েন্টের ইংরেজীই বুঝতে পারে না অথচ ওডেক্স নিয়মিত কাজের জন্য আবেদন করে ।
সম্ভবত এমন স্পামিং ঠেকাতেই ওডেক্স নানা ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া শুরু করল ।
১) ছোট খাট নানা ভুলেও একাউন্ট ব্যান করা শুরু করল ।
২) কাজের কোয়ালটি যথেষ্ট থেকে যথেষ্ট ভাল না হলে তাদের আবেদনগুলো ক্লায়েন্ট পর্যন্ত না যাওয়ার ফিল্টারিং শুরু করল ।
৩) মোটকথা সাধারন ফ্রিল্যানসারদের মনে ভীতি ধরায় দিল যে হঠাৎ আয়ের পথ বন্ধ হলে কি হবে ।

নিজের কথাঃ
এবার দ্বিতীয় ধাপে যাওয়ার আগে আমার সমন্ধে কিছু বলে নেই ।
আমি মূলত বিভিন্ন ফ্রিল্যানসিং সাইটে ওয়েবসাইট তৈরীর কাজ হালকা-পাতলা করি বেশ অনেক দিনই হল । এখন অবশ্য মার্কেট প্লেসের বাইরেও কাজ করি ।
আমি যখন ওয়েব ডিজাইনের কাজ শিখি তখন এই রিলেটেড বিভিন্ন গ্রুপে জয়েন ছিলাম । কোন প্রশ্ন তেমন করতাম না । তবে যখনই কম্পিউটার ছেড়ে মোবাইলটা হাতে নিতাম তখনই গ্রুপগুলোয় নানা মানুষের প্রশ্নগুলো পড়তাম, এক্সপার্টদের উত্তরগুলো দেখতাম ।
মজার ব্যাপার হল শুধু এই গ্রুপগুলোয় নিয়মিত পড়ার কারনেই আমি মার্কেটপ্লেসে কাজ শুরুর আগেই সব ধারনা নিয়ে ফেলেছিলাম কি করে ক্লায়েন্টেকে পটাতে হয়, কি করে কথা বলা উচিত থেকে টেকনিক্যাল বিষয় মোটামুটি সব ।
আমি এফিলিয়েট মার্কেটিং এ সেভাবে কখনই যুক্ত ছিলাম না । তবে মোটামুটি জ্ঞান ছিল । রিফাত ভাইয়ের সেই প্রথমদিককার টিউটোরিয়াল দেখে আগ্রহটাও বেশ বেড়ে যায় । তবে আমি মুলত ওয়েব ডেভোলপার হিসাবে ক্লায়েন্টদের ডোমেইন হোস্টিং রেফার করা ছাড়া তেমনভাবে সফল হই নাই । যদিও অনেকগুলো ওয়েবসাইট বানিয়েছিলাম কিন্তু কিওয়ার্ড রিসার্স বা এসইও ভাল না জানায় কিংবা ক্লায়েন্টের কাজে ব্যস্ত থাকায় সময় হয়ে উঠে নাই ।

আমার একথাগুলো কেন বললাম জানেন? যদি অভ্যাসটা ভাল মনে হয় তবে পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন ।
এবার বাস্তবতা কিছু বলল ।
কোন প্রফেশনই সহজ না । বরং কঠিন । অনলাইনে টিকে থাকা আরও কঠিন । কারনটা হল এখানে প্রচুর শিখতে হয় । নিজেকে প্রতিদিন আপডেট রাখতে হয় ।
সেদিন একজনের এমন প্রশ্ন দেখে অবাক হলে গেলাম "ভাই ১০০ ডলার ইনভেস্ট করে নাকি ১০০০ ডলার ইনকাম করা যায় । কেমনে?"
আমি ৪-৫ বছর ধরে ধীরে ধীরে শিখে এই লাইনে টিকে থাকার চেস্টা করছি আর নতুন একজন এসে বলে ১০০ ডলারে ১০০০ ডলার বানাই ফেলবে । ডলার কি বৈশাখী জড়ের বেগে আপনার হাতে আসবে ?

ঐ ওডেস্কের কথায় আবার আসি । সেই সময়েও এমন ম্যালা উত্তেজিত মানুষ দেখা গেছিল যারাও এমন ২দিনে ১০০০ ডলার ইনকাম করতে যাইয়া স্পামিং শুরু করে দিছিল । আপনি কোন কাজই জানেন না অথচ আপনি কাজের জন্য আবেদন করছেন এর চেয়ে বড় স্পামিং আর কি হতে পারে ?
এমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং এ ঠিক একই ভাবে স্পামিং শুরুর ইংগিত পাচ্ছি । এখন কিংবা নিকট ভবিষ্যতে এমাজন বাংলাদেশীদের জন্য একটু কড়া হলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না । কোন রুলস না মেনে দুই নাম্বারি করে মার্কেটিং করে একাউন্ট ব্যান করবে আর এর নেগেটিভ প্রভাব পরবে সাধারন মার্কেটারদের উপর ।
আর এই গ্রুপেও এমন মানুষ দেখছি যারা কেউ কিছু জানে না তাকেও লাখ টাকার স্বপ্ন দেখানোর মত অনুপ্রেরনা দেয় । ভাইরে ব্যাপারটা কি এত সহজ? তাই মানুষকে বাস্তবতা বলে স্পামিং এর হাত থেকে নিজে বাঁচুন অপরকে বাঁচান ।
আমি একজন নেগেটিভ মানুষ । নেগেটিভ মানুষ এই শর্তে যে, আমি একটা ভাল জিনিস পেলে তার নেগেটিভ দিকগুলা নিয়েই আগে ভাবি এবং এর বিকল্প সমাধানও মনে মনে চিন্তা করার চেস্টা করি ।
আপনি ভাল দিক জেনে ঢুকে পরলেন কিন্তু খারাপ দিক জানবেন কি মধ্য রাস্তায় গিয়ে ?

এবার আসি আসল কথা অর্থাৎ এমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং নিয়ে ।
আমি অনলাইনের লোক আমার যে বিষয়ে অজানা আছে বা অল্প জানা আছে তা আমি দ্রুত শিখেই কাজে লাগতে পারি এবং আমার সফল হওয়ার চান্স বেশি । তাই না?
কিন্তু আপনি কিছুই জানেন না, কিছুই পারেন না, আপনি শিখবেন কবে আর ইনকাম করবেন কবে ভেবে দেখেছেন কখনও?
কিছুই জানি না শিখতে চাই । ওকে শিখুন তবে ১ বছর মিনিমাম সময় নিয়ে মাঠে নামতে হবে পারবেন ? যদি পারেন নিজের বিষয়গুলো শুরু থেকে শুরু করুন ।
এমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরুর আগেঃ
১) "আমি কিছুই জানি না" এই গ্রুপে এমন প্রশ্ন করার চেয়ে গ্রুপের ডকগুলো পড়ুন একমাস এই গ্রুপে যত আলোচনা হয় সব খুটিয়ে খুটিয়ে পড়ুন ।
২) ডোমেইন কি হোস্টিং কি জানেন ? না জানলে জেনে নিন ।
৩) ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল করা শিখুন, একে কিভাবে ব্যবহার করতে হয় জানুন । সিপ্যানেল সমন্ধে ধারনা নিন ।
৪) ইংরেজী কেমন জানেন ? কারও প্রশ্নের উত্তর কি ইংরেজীতে দিতে পারেন ? না পারলে আগে ইংরেজীই শিখুন । নিজে আর্টিকেল না লিখলেও হবে কিন্তু যার দ্বারা লিখাই নিবেন তাকে তো পরিষ্কার ইংরেজীতেই ইনস্ট্রাকসন দিতে হবে নাকি ? তাছাড়া এফিলিয়েট মার্কেটিং শিখতে হলে আপনাকে ইংরেজী ব্লগ নিয়মিত পড়তে হবে ।
৫) এসইও কি জানেন ? কিওয়ার্ড রিসার্স কেমনে করতে হয় জানেন ? আমি এইটা ভালকরে কখনই শিখি বলেই এফিলিয়েট মার্কেটিং এ আসতে আমার দেরী হল এবং আমার অনেক প্রজেক্ট পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে । কিওয়ার্ড রিসার্স, অনপেজ এসইও, অফপেজ এসইও খুব ভাল করে শিখুন ।
৬) ভাল কিন্তু কম দামে ডোমেইন হোস্টিং প্রোভাইদের রিভিউ পরুন এবং সিদ্ধান্ত নিন কেনার । লাভ না আসা পর্যন্ত সবকিছুতেই ইনভেস্ট মিনিমাইজ করার চেস্টা করবেন ।
৭) একদিনে না ২-১ দিন পর পর নিয়মিত আর্টিকেল পাবলিশ করার চেস্টা করুন । ৫-১০ টা আর্টিকেল লেখা হলে পাবলিশ করার পর গুগল ওয়েবমাস্টারটুলে সাববিট করুন আপানার ওয়েবসাইট ইনডেক্স করার জন্য ।
৮) এবার এমাজন এসোসিয়েটে আবেদন করুন এবং এফিলিয়েট লিংক বসান ওয়েবসাইটে । এফিলিয়েট লিংক নোফলো করুন, কিভাবে বসাবেন, কোথায় সবাবেন, কোন প্লাগিন ভাল সেটা জানুন শিখুন ।
৯) এবার অনপেজ এসইও ভালভাবে করে ধুমাইয়ে লিংক বিল্ডিং শুরু করুন । ভাল কথা, নেগেটিভ এসইও করলে গুগল কিন্তু আপনাকে থাপ্পর দিতে পারে(ডিইনডেক্স করতে পারে) সেটাও জেনে নিন কেন দেয় । আপনার সবকিছু শেষ হতে এই এক থাপ্পরই যথেস্ট ।
১০) নানা রকম প্রিমিয়াম টুল কিনতে হবে, ভালভাবে এসইও করতে হবে এবং ভালমানের আর্টিকেল না লিখলে আপনার ওয়েবসাইট ব্যর্থ হবেই হবে । এসবের জন্য মিনিমাম ২৫০ ডলারের বাজেট রাখুন(আপনি একবছর ফুল সময় দিবেন সেই হিসাবে এইটা মিনিমাম । হয় আপনি সময় দিবেন নয়তো ইনভেস্ট বাড়াবেন) । আপনি সফল নাও হতে পারেন এমনটা ভেবে নিয়েই ইনভেস্ট করবেন ।
আমি শুধু উপরে উপরে বলে গেলাম কি করতে হবে শিখতে হবে কিন্তু মনে রাখবেন প্রতিটা টপিকের সাথে আরও হাজারটা টপিক আপনাকে জানতে হবে । যদি নতুন হন তবে মনে মনে আগে ভাবুন আপনার মিনিমাম একবছর লেগে থাকার ক্ষমতা আছে কিনা । যদি থাকে তবে ওয়েলকাম । এইখানে ২৫০ ডলার থেকে ২৫০০০ ডলার বানাতে পারা যায় কথাটা সত্য কিন্তু ২৫০ ডলার + নিজের সময় শ্রম মেধা হারানো লোকের সংখ্যাই বেশী । মনে রাখবেন গুগলের ১ নং পেজে নিজের ওয়েবসাইটে নিয়ে আসলেই আপনি সফল হবেন । অভিজ্ঞ মানুষদের ওয়েবসাইটই সেসব জায়গা দখল করে বসে আছে । আপনি কি এমন জানেন যে তাদের হারিয়ে আপনি এক নম্বরে আপনার ওয়েবসাইটকে নিয়ে আসবেন?
(এই ডক আমার অনুমতি ছাড়া কেউ এডি করবেন না)
মেহেদী হাসান ভাই এর লেখা।

Friday, April 22, 2016

একটি সফল ব্লগ সাইট

আমরা যারা ব্লগিং করি, আমাদের প্রথম যেটা ধরকার হয় সেটা হল একটি ওয়েবসাইট/ ব্লগ সাইট। আর ব্লগ সাইট তৈরি করতে হলে আমাদের প্রয়োজন হয় ডোমেইন আর হোস্টিং এর। ডোমেইন আর হোস্টিং এর জন্য আমাদের কিছু টাকা দরকার হয়। কিন্তু  blogger.com এর ব্লগস্পট ব্লগিং প্লাটফর্ম আমাদের ডোমেইন এবং হোস্টিং সম্পূর্ণ ফ্রী দিয়ে থাকে। এই কারনে যারা একদম নতুন, তাঁরা তাদের প্রথম ব্লগিং ব্লগস্পট প্লাটফর্মে শুরু করে।
কিন্তু ইন্টারনেটে যখন টিউনারপেজে অথবা অন্যান্য ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ দেখে তখন ব্লগস্পট ব্লগার দের মনে একটি প্রশ্ন থাকে
ব্লগস্পট সাইট দিয়ে কি সফল ব্লগার হওয়া যায়? আমার উত্তর হল হ্যাঁ যায়। চলুন তাহলে।
  • দেখে নিন একটি সফল ব্লগস্পট সাইট
আমি দৈনিক ১ ঘণ্টা হলেও ব্লগ পড়ে থাকি। আমি ব্লগার বিষয়ক কিওয়ার্ড দিয়ে বেশি সার্চ করে থাকি। যখনি আমি seo,blogger widget, এইসব কিওয়ার্ড দিয়ে সার্চ দেই একটি সাইট প্রথমে আসে। আমি তো পুরাই অবাক কতো ভাল মানের সাইট পেছনে ফেলে এই সাইট কিভাবে প্রথম হয় । তাহলে চলুন সেই সাইট সম্পর্কে জানি
  • সাইটের লিংক
    http://helplogger.blogspot.com/
  • গুগল পেইজ রেঙ্ক — ৫ [ চিন্তা করেন]
  • আলেক্সা রেঙ্ক —- ২৪৫২৭
  • ডেইলি পেইজ ভিউ — ২২,১৮৯
বিশ্বাস হচ্ছে না? দেখুন ব্লগস্পট সাইট  একটি ফ্রী ব্লগস্পট ব্লগ দিয়ে কি সফল ব্লগার হওয়া যায়
এই সাইট টি এক পাকিস্থানের ব্লগার এর। আপনারা হয়ত জানেন যে পাকিস্থানের সফল ব্লগার দের প্রথম চয়েস হল ব্লগার.কম।
ব্লগিং এর সফলতা নির্বর করে ভাল কন্টেন্ট আর এস ই ও এর উপর। আপনার যদি এই ২ টাই থাকে তাহলে সফল ব্লগার হওয়া সময়ের ব্যাপার। যারা ব্লগস্পট সাইটে ব্লগিং করছেন, এই পোস্ট আপনাদের অনেক উৎসাহিত করবে আশা করি। 

আমি একজন সফল ব্লগার

ব্লগিং কি? শুরুতেই জানা দরকার। অনেকেই না বুঝে অনেক কিছুই করে থাকেন। অথচ বুঝে করলে সফল হবার ব্যপার থাকে। ইন্টারনেটের কোন পাইজে লিখা কিংবা কোন বিষয়ের উপর মন্তব্য প্রকাশ কিংবা নতুন আইডিয়া শেয়ার করাকে বলা হয় ব্লগিং। যিনি করেন তাকে বলে ব্লগার। তাহলে এখানে সফলতার প্রশ্ন কেন? ঠিক ধরেছেন। সফল বিফল বিষয়টি কি?
লেখক হবার পরপর সফল হবার প্রশ্নটিও চলে আসে। এরকম লেখকের অনেক কষ্ট যার কোন পাঠক নেই। তেমনি যে ব্লগারের ভিজিটর নেই তার তেমন কোন দাম নেই। এজন্যই সফল ব্লগারের প্রশ্ন।
নিচের পদক্ষেপ সমুহ মেনে নিয়ে আপনিও হতে পারেন একজন সফল ব্লগার।
ব্লগের ফ্লাটফর্ম নির্ধারন- এই বিষয়টি খুবই গুরুত্বপুর্ন। কোন ফ্লাটফর্মে আপনি লিখবেন তা যদি ঠিক না করেন তবে আপনার মাঝে আর অন্য অনেকের মাঝে তেমন কোন অমিল থাকবে না। তাই এ নিয়ে চিন্তা করে বের করা উচিত যে আপনি কি নিয়ে লিখবেন।
ওয়েবসাইট সম্পর্কে বিস্তারিত জ্ঞান- বিস্তারিত না হোক মোটামুটি জ্ঞান থাকা বাঞ্চনীয়। কারন এখানে আপনি কী করবেন কেন করবেন আর কিভাবে করবেন এই বিষয় মাথায় রাখা জরুরী।ওয়ার্ডপ্রেস সম্পর্কে বিস্তারিত জানা দরকার। কিভাবে এস ই ও(SEO) মেনে লেখা প্রকাশ করা যায়?

হোষ্টীং- অনেকেই ফ্রী হোষ্টীং নিয়ে ব্লগিং করে থাকেন। কিন্তু কেন? আপনি তো শুধু সময় নষ্ট করে লিখে যাবেন আর কোন না কোন ভাবে লাভবান হবেন না তা কি হয়? এজন্য ফ্রী হোষ্টিং না নিয়ে প্রিমিয়াম হোষ্টীং নেয়া উচিত। এতে কোন ভাবে ডিজেবল বা ব্যন হবার ভয় থাকে না। তবে প্রাকটিস করার জন্য ফ্রী হোষ্টিং নেয়া যেতে পারে।
শুরুতেই আয় না করা-  অনেকেই ব্লগে কিছু না লিখে ভিজিটর না আসার আগেই বিজ্ঞাপন দিয়ে ব্যাস্ত করে ফেলেন। তেমন না করাই ভাল। প্রথমে মানুষের কাছাকাছি থাকার চেষ্টা করতে হবে। এবং ব্লগ কে অর্থবহ করে তুলতে হবে। তবেই ব্লগে জনপ্রিয়তা পাবে। জনপ্রিয় একটি ব্লগের আয় কত তা আর লিখে বলার দরকার নেই।